শহর, রাজ্য, দেশ ছাড়িয়ে হ্যাংলার ব্যাপ্তি এখন বিদেশের বাঙালিদের কাছেও। ভাল খাবারের খোঁজ সকল বাঙালিদের নিয়ে এসেছে এক ছাদের তলায়। সব্বাই হ্যাংলা।

হ্যাংলা হেঁশেল একটি মাসিক ম্যাগাজিন। প্রতি মাসে একটি করে নতুন বিষয় নিয়ে গ্রাহকদের কাছে হাজির হই আমরা। শুধু কলকাতায় নয়, এই ম্যাগাজিন ছড়িয়ে গেছে দেশের নানা প্রান্তে, সকল বাঙালিদের কাছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিইয়ে এখন হ্যাংলা সংগ্রহ করা যায় পিডিএফ ভার্সনেও। আর তাই হ্যাংলাপ্রেমীরা বর্তমানে ছড়িয়ে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, দুবাই, ব্যাংকক, বাংলাদেশেও।

সবার আরও একটু কাছে পৌঁছে যেতেই হ্যাংলার এই ওয়েবসাইট। রয়েছে নতুন নতুন অনেক রেসিপির স্বাদ। যা ভোজনরসিকদের টেস্টবাড টিকল করতে বাধ্য।

হ্যাংলা হেঁশেল যথার্থই একটা সম্পূর্ণ ফুড ম্যাগাজিন। যেখানে শুধুমাত্র নতুন-পুরনো খাবারের রেসিপির খোঁজ থাকে না, মেলে খাবারের পেছনের অনেক অজানা তথ্য, গল্প। সেই খাবারের খোঁজ করতে হ্যাংলার দলকে ছুটে বেড়াতে হয় শহর, জেলার নানা প্রান্তরে। আসলে এটাই বোধহয় নেশা। অজানাকে জানার নেশা। ভোজনরসিকেরা শুধু উদরপূর্তি করে যাবেন আর পছন্দের খাবারের নেপথ্য গল্প জানবে না তা আবার হয় নাকি! সারা বিশ্বে নতুন কী কী হচ্ছে তার খোঁজই থাকে হ্যাংলায়। আপনাদের কাছেও যদি থাকে খাবার সংক্রান্ত নতুন নতুন তথ্য, তাহলে যোগাযোগ করুন আমাদের সঙ্গে।

শুধু খাবার নিয়ে সাংবাদিকতা নয়, হ্যাংলা হেঁশেল মহিলাদের করে তুলেছে সনির্ভর। যেসব মহিলারা অসম্ভব ভালো রান্না করেন অথচ সেই শিল্প সীমাবদ্ধ ছিল শুধুমাত্র পরিবার-পরিজনের মধ্যে। সেইসব মহিলাদের একটা প্ল্যাটফর্ম দিয়েছে হ্যাংলা হেঁশেল। ম্যাগাজিনের হাত ধরে মহিলারা পৌঁছে গিয়েছেন এক বৃহত্তর দুনিয়ায়। তৈরি হয়েছে তাদের এক নিজস্ব পরিচিত। কেউ কেউ রান্নাটাকেই করে বেছে নিয়েছেন নিজেদের পেশা হিসেবে। তারা হয়ে গিয়েছেন HOME BAKER থেকে HOME BAKER। নাচ-গান-আবৃত্তি এসবের মতোই রান্নাটাও এখন একটা শিল্প। মহিলারা গর্বের সঙ্গে বলতে পারেন ‘আমরাও পারি’।

বাংলায় প্রথম আর্ন্তজাতিক মানের ফুড ম্যাগাজিন– এই পরিচয় নিয়েই জন্ম হ্যাংলা হেঁশেলের। ২০১২-র অক্টোবরে। এমন এক ম্যাগাজিন যার প্রতিটা পাতায় শুধু ভাল খাবার আর খাবারের সঙ্গে নানাবিধ খোঁজ।

বাংলায় প্রথম আর্ন্তজাতিক মানের ফুড ম্যাগাজিন– এই পরিচয় নিয়েই জন্ম হ্যাংলা হেঁশেলের। ২০১২-র অক্টোবরে। এমন এক ম্যাগাজিন যার প্রতিটা পাতায় শুধু ভাল খাবার আর খাবারের সঙ্গে নানাবিধ খোঁজ। আর তার দৌলতেই হ্যাংলা বর্তমানে প্রত্যেক বাঙালির মনে জায়গা করে নিয়েছে। মনে-প্রাণে আমরা সকলেই আদ্যন্ত খাদ্যরসিক, হ্যাংলাই বটে। এমনকি স্বাস্থ্যসচেতন যারা, তারাও ‘অল্প খাব, কিন্তু ভাল খাব’ এই ভাবনাটা একেবারে ঝেড়ে ফেলতে পারেন না। ভাল খাবারের মাহাত্ম্যই সেখানে। আসলে ‘ভাল স্বাদ’ আমাদের বাকি সব ইন্দ্রিয়কে অদ্ভুতভাবে প্রভাবিত করে। তাই প্রতিমাসে হ্যাংলার প্রতি পাতায় ‘ভাল স্বাদ’-এর খোঁজ মেলে। প্রতিমাসেই অভিনব কিছু। যা কিছু খাওয়া যায় তা নিয়েই অন্যরকম কিছু করার প্রচেষ্টা। অনেক শুভাকাঙ্খী এখন হ্যাংলার সঙ্গে। সদস্যদের নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘হ্যাংলা ক্লাব’। ‘হ্যাংলা ক্লাব’-এর সদস্যদের হাতে তৈরি সুস্বাদু রান্না জায়গা করে নেয় হ্যাংলার পাতায়। প্রতিমাসেই রন্ধন পটীয়সীদের জন্য থাকছে প্রতিযোগিতার আয়োজন, ‘হেঁশেলের ভানুমতী’ বিভাগে। এছাড়া ‘কুকিং ক্লাস’ তো আছেই। এসব মিলিয়েই এগিয়ে চলেছে হ্যাংলা। ভাল রান্না, শুধু ভাল রান্নার খোঁজে। আসলে ভাল রান্নার রেসিপি আর তা দেখে সেই রান্না বানিয়ে ফেলা, ‘ফুড দুনিয়া’টা শুধুমাত্র এটুকুতেই আটকে নেই। সারা দুনিয়া জুড়ে ফুড নিয়ে চলছে দারুণ সব এক্সপেরিমেন্ট। এমনকী আমাদের রাজ্যেও হচ্ছে নানা খাদ্য সংক্রান্ত নানা প্রয়াস। নানা জায়গায় হচ্ছে নানা ধরনের খাদ্যমেলা। সেইসব মেলায় বিক্রি হচ্ছে টার্কি, এমু, এমনকী খরগোশের তন্দুরি। বাইরের দুনিয়ার পাশাপাশি বাড়ির হেঁশেলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সাক্ষী। গৃহিণীদের কাছে কুকিংটা এখন অন্যতম জনপ্রিয় প্যাশন। সেই প্যাশনের তাগিদে তারা নিজে থেকেই খুলে ফেলছেন ঘরোয়া কুকিং ক্লাস। হ্যাংলা এইসব মিলিয়ে মিশিয়েই। আর খাদ্যরসিকদের ভালবাসাই হ্যাংলার পাথেয়।

THE TEAM

অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়

Customer Care
পুরোপুরি খেলার জগতের মানুষ। গ্যালারি, গোলপোস্ট, ওভার বাউন্ডারি, চার-ছক্কা, মারাদোনা, মেসিদের নিয়েও রীতিমতো এনসাইক্লোপিডিয়া। মনেপ্রাণে-কাজে-লেখণীতে। এমনই একজন ক্রীড়া সাংবাদিক অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়। হঠাৎ করেই একদিন মনে হল বাঙালির দুটো সত্ত্বা, খেলা খাওয়া। ‘খেলা নিয়ে আছিই, এবার পেটপুজোর জগতে ঘুরে আসলে কেমন হয়?’ যেই ভাবা ওমনি তোড়জোড় শুরু। আর ২০১২-র অক্টোবরে হ্যাংলা হেঁশেলের জন্ম। শুধু তাই নয়, গৃহিনীদের জন্য তৈরি করে ফেললেন এমন এক প্ল্যাটফর্ম যেখানে রান্নার মাধ্যমেই হয়ে উঠছেন এক-একজন শিল্পী। কারণ হ্যাংলার সম্পাদকের বিশ্বাস মহিলারা বুক ঠুকে বলতে পারেন 'আমি শিল্পী, আমি রাঁধতে পারি।'

দীপ্তেন্দু ভট্টাচার্য

webdeveloper
সম্পাদকীয় দপ্তর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তিনিই। দীপ্তেন্দুর ভাষার জাগলারি ভরপুর লেখণী, হাল না ছাড়ার নীতিই আজ হাংলাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে ঝোলে-ঝালে-অম্বলে-স্বাদে-স্বাস্থ্যে আর ভালবাসায়। হ্যাংলায় আসার আগে ছিলেন পেজ থ্রি দুনিয়ার লোক। কিন্তু বর্তমানে 'ভোজ'নীতি নিয়েই রয়েছেন। আসলে দীপ্তেন্দু নিজেও একজন আদ্যপান্ত খাদ্যরসিক। বিশ্বজুড়ে খাবার নিয়ে যাবতীয় আলোড়নের খোঁজ মিলবে এই সাংবাদিকের ঝুলিতে। আর সেই অভিজ্ঞতাই উজার করে দিয়েছেন হ্যাংলা হেঁশেলের প্রতিটা পাতায়। ওহ, হ্যাঁ, দীপ্তেন্দুর আরেকটি স্কিল হল ওনার 'communication'। তাই হ্যাংলা হেঁশেলের সকলের চেনা সে, আর প্রিয় তো বটেই! হয়ে উঠেছেন সক্কলের ভীষণ কাছের।

মৌমিতা দাস

webdeveloper
আদ্যপ্রান্ত ভোজনরসিক, যাকে বলে ‘ইট ফুড, স্লিপ ফুড আন্ড ড্রিম ফুড’। সেইসঙ্গে টেকস্যাভি। এই সব মিলিয়ে হ্যাংলার প্রতিনিধি মৌমিতা দাস। খবরে-ফিচারে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। এই মূহুর্তে ডিজিটাল হ্যাংলার দায়িত্বে। হ্যাংলাকে যাতে আরও একটু মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, চেষ্টা করে চলেছেন তারই।

HEALTY

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Duis dignissim, purus non elementum consectetur, augue purus accumsan lectus, aliquam scelerisque.

COOKING

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Duis dignissim, purus non elementum consectetur, augue purus accumsan lectus, aliquam scelerisque.

VEGAN

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Duis dignissim, purus non elementum consectetur, augue purus accumsan lectus, aliquam scelerisque.

CAKES

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Duis dignissim, purus non elementum consectetur, augue purus accumsan lectus, aliquam scelerisque.

standard

তেল ছাড়া রান্না

রঞ্জনবাবুর কোলেস্টেরল প্রচণ্ড হাই। হার্টে ব্লকেজ প্রায় সিক্সটি পারসেন্ট। ডাক্তারবাবুর কড়া নিষেধ তেলে ঝালে খাবার নৈব নৈব চ। তিন্নির বয়েস READ MORE >

standard

বিয়ার ব্যাটার ফিশ

উপকরণঃ- ভেটকির ফিলে (৪-৫টা), ডিম (৪টে), নুন-গোলমরিচের গুঁড়ো (স্বাদমতো), ময়দা, বিয়ার, পার্সলে কুচি বা ধনেপাতা কুচি, লেবুর রস, সাদা তেল। READ MORE >

standard

চীনা খাবার

  ‘হিন্দি চিনি ভাই ভাই’- এই স্লোগান তো কবেই জনপ্রিয় হয়ে গেছে বাঙালির আবেগে, বাঙালির রসনায়। বাঙালি ডাল-ভাতের মতোই নুডলস, READ MORE >